সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইএমএ-র হিউম্যান মেডিসিনস কমিটি ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের নিয়ে চলমান ক্লিনিক্যাল স্টাডির ফলাফলসহ ভ্যাকসিনের তথ্য পর্যালোচনা করবে। ইএমএ এই বয়সসীমার শিশুদের জন্য এটি ব্যবহারের সুপারিশ করবে কিনা সে ব্যাপারেই সিদ্ধান্ত নিতেই এই পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইএমএ-র আশা, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সমর্থ হবে সংস্থাটি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, বর্তমানে অঞ্চলটিতে ১২ বছর এবং এর বেশি বয়সের শিশুরা ফাইজার ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এখন পাঁচ বছর বয়স থেকেই শিশুদের এর আওতায় নিয়ে আসতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।






















